May a good source be with you.

পশ্চিমবঙ্গ: রাজ্যের শেষ দফার নির্বাচনের আগে ক্ষমতা দেখালো নির্বাচন কমিশন

নির্বাচন কমিশন যদি জানতেই পেরেছেন রাজ্যে হিংসার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তাহলে তার কোন ব্যবস্থা এতদিন কেন নেওয়া হয়নি?

কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের অঙ্গুলিহেলনে কর্তব্যরত, তথাকথিত নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন ও তার কেন্দ্রীয় বাহিনী যেভাবে পশ্চিমবঙ্গের ছয় দফা নির্বাচনে নিষ্ক্রিয়তার ভূমিকা পালন করেছেন তাতে বিক্ষুব্ধ সমস্ত বিরোধী দলগুলি। এবার একেবারে শেষ দফার নির্বাচনে এসে তাদের ক্ষমতার প্রদর্শন করলেন নির্বাচন কমিশন।

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের রোড শো কে কেন্দ্র করে রাজ্যে যে হিংসার বাতাবরণ সৃষ্টি হয় তার পরিপ্রেক্ষিতেই সপ্তম দফা নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে এক কড়া পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের সপ্তম দফা নির্বাচনের যে ৯ টি আসনের নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিন নির্ধারিত ছিল শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত, তা পরিবর্তন করে একদিন এগিয়ে বৃহস্পতিবার রাত ১০ টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেন নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি একই সঙ্গে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি অত্রি ভট্টাচার্য্য কে তার বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করার অভিযোগে। আবার বিতর্কিত পুলিশ অফিসার রাজীব কুমার কে রাজ্য থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লিতে। বুধবার সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এ কথা জানান। নির্বাচন কমিশন থেকে জানানো হয়েছে যে রাজ্যে হিংসার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে তাই এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। সংবিধানের ৩২৪ ধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন প্রচার এর সময়সীমা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশন যদি জানতেই পেরেছেন রাজ্যে হিংসার পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তাহলে তার কোন ব্যবস্থা এতদিন কেন নেওয়া হয়নি? শাসক দলের সুবিধা করে দেওয়ার জন্যই কি এই ধরনের সিদ্ধান্ত, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। আবার বিজেপি ও তৃণমূল কে সুবিধা করে দিতেই নির্বাচন কমিশনের এহেন সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। তিনি বলেছেন নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের সপ্তম দফার নির্বাচনের প্রচারের সময়সীমা আকস্মিকভাবে একদিন কমিয়ে ১৬ ই মে রাতে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন এমন ভাবে যাতে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর জনসভা, হেলিকপ্টার সফর,ও নির্ধারিত কর্মসূচি বিঘ্নিত হবে না। বিজেপি ও তৃণমূল কে সুবিধা করে দিতেই এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে বলে মনে করছেন সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। নির্বাচন কমিশনের এহেন সিদ্ধান্তে শেষ মুহূর্তের নির্বাচনী প্রচারের কাজ ব্যাহত হবে অন্যান্য বিরোধী দলগুলির।

अब आप न्यूज़ सेंट्रल 24x7 को हिंदी में पढ़ सकते हैं।यहाँ क्लिक करें
+