May a good source be with you.

দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহন না হলে বামফ্রট বিক্ষোভ করবে বলে জানিয়েছে

প্রথম দফা নির্বাচনে বিজেপি তৃণমূলের যৌথ প্রয়াসে বামফ্রন্টকে কিভাবে হেনস্থা করা হয়েছে, তা বামফ্রন্টের তরফ থেকে নির্বাচন কমিশনারকে জানানো হয়েছে।

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে কি হতে চলেছে তাই নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছেন রাজ্যবাসী।বিজেপির সঙ্গে সমঝোতা করে এ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যেভাবে প্রথম দফার নির্বাচনে অসাধু ও বেআইনি পন্থা অবলম্বন করেছেন তা মিডিয়ার দৌলতে রাজ্যবাসী জানতে পেরেছেন। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রে প্রথম দফা নির্বাচনে, নির্বাচন কমিশন যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা রক্ষা করতে পারেননি।

পর্যাপ্ত পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনে অসমর্থ ছিলেন নির্বাচন কমিশন। এছাড়াও বিভিন্ন বুথে দেখা গিয়েছে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার ভূমিকা। রাজ্য পুলিশকে হাতের পুতুল বানিয়ে রেখে, হয়ে গেল প্রথম দফার নির্বাচন। এছাড়াও নির্বাচনী প্রচার চালাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন বামফ্রন্টের তিনজন প্রার্থী। আবার প্রথম দফার নির্বাচনের দিন কোচবিহারে প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এই সমস্ত ঘটনার জন্যে রাজ্যের নির্বাচন কমিশন তার প্রতিশ্রুতি রক্ষায় পুরোপুরি ব্যর্থ, তা পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে।

প্রথম দফা নির্বাচনের যে চিত্র রাজ্যের সাধারণ মানুষের সামনে উপস্থিত হয়েছে, তার যেন কোনরূপ পুনরাবৃত্তি না হয় তা লিখিত ভাবে বামফ্রন্টের তরফ থেকে নির্বাচন কমিশনারকে জানানো হয়েছে। আর এ বিষয়ে ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কমিশন কে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফা নির্বাচনে বিজেপি তৃণমূলের যৌথ প্রয়াসে বামফ্রন্টকে কিভাবে হেনস্থা করা হয়েছে, সাধারণ নাগরিকদের ভোট দানের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। তা জানানোর পাশাপাশি দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে যদি এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় তাহলে বড় ধরনের প্রতিবাদ সংগঠিত করা হবে বলে কমিশনকে জানিয়ে দেন বামফ্রন্টের কেন্দ্রীয় কমিটি।

রাজ্য তৃণমূল ও বিজেপির যে বাহ্যিক বাকবিতণ্ডা চলছে তা নিছকই লোক দেখানো তা বুঝতে পারছে সকলেই। এ নির্বাচনে তৃণমূল ও বিজেপি একসাথে কাজ করছে। তৃণমূল ও বিজেপির আসন ভাগাভাগি হওয়া, প্রথম দফায় বিজেপি কে মাঠ ছেড়ে দেওয়া এবং দ্বিতীয় দফায় তৃণমূলের বাড়তি সুবিধা দেবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বামফ্রন্ট।

এমত অবস্থায় বামফ্রন্ট কিভাবে পরিস্থিতির মোকাবেলা করবে। তার পরিপ্রেক্ষিতে সিপিআই (এম) এর রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র জানান যে বামফ্রন্টের জনসমর্থন যে কতটা তার জ্বলন্ত উদাহরণ বামফ্রন্টের ব্রিগেড সমাবেশ দেখলেই বোঝা যায়।

তিনি জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও দেশের প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশের মিলিত থেকেও অনেক বেশি জনসমাগম হয়েছিল বামফ্রন্টের ব্রিগেড সমাবেশে। কিন্তু তা সত্ত্বেও রাজ্যের মানুষ তৃণমূলের অত্যাচার ও আতঙ্কে স্বাধীনভাবে তাদের নির্বাচনের মাধ্যমে মত প্রকাশ করতে পারছেন না। তাই দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে যে তিনটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে তার অবাধ ও নিরপেক্ষতার অবলম্বন যদি না করা হয় তাহলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসে সামনে বিক্ষোভ প্রতিবাদে সামিল হবেন বলে জানান রাজ্য সম্পাদক সূর্য মিশ্র।

এখন দেখার বিষয় তৃণমূল ও বিজেপির লোক দেখানো ঝামেলা সৃষ্টি ও প্রহসনের শিকার সাধারণ মানুষ পরবর্তী নির্বাচনগুলিতে কি করবে তাদের মতামত প্রকাশ করতে। না কি বাহুবল ও কূটনীতির যাঁতাকলে পড়ে আবারো অন্যায়-অত্যাচারের জয়জয়কার হবে গোটা রাজ্য জুড়ে।

 

अब आप न्यूज़ सेंट्रल 24x7 को हिंदी में पढ़ सकते हैं।यहाँ क्लिक करें
+