May a good source be with you.

প্রধানমন্ত্রীকে জেলাস্তরে নেতার সঙ্গে তুলনা মমতার

মাওবাদীদের হামলায় নিহত ১৬ জনের মৃত্যুর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।

রাজ্য লোকসভা নির্বাচন শুরু হওয়ার সাথে সাথেই রাজ্য রাজনীতিতে কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়ে গেছে কেন্দ্র ও রাজ্য শাসক দলের মধ্যে। প্রথম থেকে শুরু করে এখনো চলছে একইভাবে ওই দুই দলের নির্বাচনী প্রতিহিংসার জোয়ার। প্রথম দফার নির্বাচনের আগে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে উন্নয়নের স্পিড ব্রেকার বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পঞ্চম দফা নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদিকে ব্লক স্তরের নেতার সঙ্গে তুলনা করলেন।

হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রসূন বন্দোপাধ্যােয়র সমর্থনে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহারাষ্ট্রে মাওবাদী হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপির প্রধান সভাপতি অমিত শাহ এর বিরুদ্ধে আক্রমণ করেন। তার দাবি যদি মাওবাদী কার্যকলাপের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকার সঠিক ব্যবস্থা নিতেন তাহলে এধরনের ঘটনা ঘটতো না।

তিনি মাওবাদীদের হামলায় নিহত ১৬ জনের মৃত্যুর জন্য দায়ী করেছেন কেন্দ্রীয় সরকারকে। ক্ষমতায় আসা সত্ত্বেও বিজেপি কেন এর প্রতিরোধ করতে পারলেন না? এই সমস্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ এর দিকে আঙ্গুল তুলে বলেন তৃণমূল ব্লক সভাপতি ও জেলা সভাপতির মধ্যে যে কর্মদক্ষতা আছে তা এনাদের মধ্যে নেই।

অপরদিকে অমিত শাহ তার নির্বাচনী প্রচারে মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধিতা করতে গিয়ে বলেন তিনি কাশ্মীরকে ভারত থেকে পৃথক করে দেশ ভাগ করার স্বপ্ন দেখছেন।

পাশাপাশি রাজ্য সরকারের মদতে চিটফান্ডগুলো যেভাবে বেড়ে উঠেছিল এবং সাধারন মানুষ যেভাবে প্রতারিত হয়েছিলেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্রীয় সরকার, এবং দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছে শাহ।

আবার অন্যদিকে শ্রীরামপুরে বিজেপি প্রার্থী সমর্থনের প্রচারে নরেন্দ্র মোদী বলেন ২৩শে মে চারদিকে পদ্মফুল দেখবেন দিদি এবং তিনি এও বলেন তার দলের বিধায়করা সব দল ছেড়ে পালাবে। তার কথা অনুযায়ী তৃণমূলের ৪০ জন বিধায়ক তার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন।এতে যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে তাতে ক্ষুব্ধ তৃণমূল কংগ্রেস।

নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট বারবার লঙ্ঘন করেছেন নরেন্দ্র মোদী, এই বলে বিরোধীরা অভিযোগ করেছেন নির্বাচন কমিশনের কাছে। তারা আরো জানান এই অযৌতিক প্রচার পদ্ধতি ও প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিক নির্বাচন কমিশন।

তৃণমূল ও বিজেপি এ ধরনের প্রচার পদ্ধতির উপর কথা বলতে গিয়ে সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র কলকাতার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন তৃণমূল ও বিজেপি এই দুই দলের নীতি ও দুর্নীতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের কোন ফারাক নেই। তিনি বলেছেন দুর্নীতিতে তৃণমূল ও বিজেপি একই মেরুতে।

 

अब आप न्यूज़ सेंट्रल 24x7 को हिंदी में पढ़ सकते हैं।यहाँ क्लिक करें
+