May a good source be with you.

পশ্চিমবঙ্গ: রাজ্যজুড়ে অচলাবস্থা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল গুলিতে

নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রোগীর বাড়ির লোক ও জুনিয়র ডাক্তারদের মধ্যে শুরু হয় বচসা ও আহত হয় দুজন জুনিয়ার ডাক্তার।

নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সারা রাজ্য জুড়ে শুরু হয় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল গুলিতে এক চরম অচল অবস্থা। আর এই দুর্ভোগের মুখে পড়তে হয়েছে হাজার হাজার রোগী ও তার পরিবারের লোকজনদের। আর এই পরিস্থিতির জন্য আঙুল উঠেছে বর্তমান সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উপর।

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার রাতে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রোগীর বাড়ির লোক ও জুনিয়র ডাক্তারদের মধ্যে শুরু হয় বচসা,  পরে তা চরম আকার ধারণ করে শুরু হয় হাতাহাতি। আর এই ঘটনার চরম আকার ধারণ করায় গুরুতর আহত হয় দুজন জুনিয়ার ডাক্তার। গুরুতর আহত অবস্থায় তারা দুজনেই নীল রতন সরকার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আই সি ইউ তে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকেই এন আর এস মেডিকেল কলেজ হসপিটালে এক অচল অবস্থা সৃষ্টি হয়। এ দিন কোন ডাক্তার কোন দপ্তরে তাদের পরিষেবা দিতে যাননি। ডাক্তার ছাড়াও হসপিটালের অন্যান্য কর্মীরা তাদের পরিষেবা দিতে বিরত ছিল। ফলে প্রচন্ড অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয় বহু দূর দূরান্ত থেকে আসা রোগী ও তাদের পরিবারের লোকজনদের।
রোগীর পরিবারের লোকজনদের হাতে আহত এই দুই ডাক্তারের এরকম গুরুতর অবস্থার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে দায়ী করেছেন জুনিয়র ডাক্তার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ‌। তাদের দাবি
১) মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে গুরুতর আহত দুই জুনিয়র ডাক্তারের সঙ্গে দেখা করতে হবে।
২) এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী কে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে।
৩) পুলিশকে ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব নিতে হবে।
 এই তিন দফা দাবি নিয়ে তারা সকাল থেকেই এন আর এস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দুটি গেট  বন্ধ করে রাখেন। ইমারজেন্সি গেটের সামনে জুনিয়র ডাক্তাররা সকাল থেকেই বিক্ষোভ দেখান। দফায় দফায় আলোচনা হলেও কোন রকম ব্যবস্থা এখনো পর্যন্ত হয়নি। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ঘটনার সামাল দিতে ও ডাক্তারদের নিজেদের কাজে ফিরে যেতে অনুরোধ করলেও কোন সুরাহা হয়নি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর সমালোচনার ঝড় তুললেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। অপরদিকে এই পরিস্থিতির জন্য বর্তমান সরকারের চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর ও তার নিরাপত্তার উপর যে কোন ভ্রুক্ষেপ নেই তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানিয়ে গেলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এন আর এস মেডিকেল কলেজে মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে অচল অবস্থা। আর এই ঘটনার যদি কোন সঠিক সমাধান না হয় তাহলে গন ছুটি নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জুনিয়ার ডাক্তার ও ইন্টার্নরা। এই ঘটনার প্রতিবাদে ও নিরাপত্তার দাবিতে বুধবার সারা রাজ্য জুড়ে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পরিসেবা বন্ধের ডাক দিয়েছেন জুনিয়ার ডাক্তারেরা। যদিও জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস এর তরফ থেকে জানানো হয়েছে শুধুমাত্র ইমার্জেন্সি পরিষেবা চালু থাকবে হাসপাতালে।
अब आप न्यूज़ सेंट्रल 24x7 को हिंदी में पढ़ सकते हैं।यहाँ क्लिक करें
+