May a good source be with you.

পশ্চিমবঙ্গ: পৌষমেলায় পরিবেশ দূষণ; মেলা না করার সিদ্ধান্ত বিশ্বভারতীর

বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে এই মেলাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

বিশ্বভারতীর ঐতিহ্য ও পরম্পরা মেনে প্রতিবছর পৌষ মাসে বীরভূম জেলার বোলপুর শান্তিনিকেতনে  অনুষ্ঠিত হয়পৌষ উৎসবঅর্থাৎ পৌষমেলা। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে এই মেলাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। আর এই বিতর্কের মূল কারণ হল মেলা চলাকালীন ও তার পরবর্তী সময়ের পরিবেশ দূষণ।

চার বছরের আগে ২০১৫ সালে স্থানীয় পরিবেশ প্রেমীদের  মতে পৌষমেলা শেষ হওয়ার পর বিশ্বভারতী চত্বরে আবর্জনা ও নোংরা জমা হয়। তাছাড়াও মেলা চলাকালীন ধুলো, ধোঁয়া ও শব্দ দূষণ কে কেন্দ্র করে বিশ্বভারতীর পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে বলে জাতীয় পরিবেশ আদালতে প্রথম মামলা করা হয়। সেই কারণে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ পরিবেশের কথা মাথায় রেখে ২০১৬ সালে চার দিনের মেলা কে কমিয়ে তিন দিনে নিয়ে আসেন। আবার ২০১৭ সালের ১লা নভেম্বর পরিবেশ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পৌষ মেলার দিন ৪ থেকে বাড়িয়ে ৬ দিন করা হয়েছে। যদিও বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ পরিবেশ দূষণ এড়ানোর জন্য নানা প্রচেষ্টা চালানো সত্ত্বেও এ বছরে আবার পরিবেশ আদালতে মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সোমবার বিশ্বভারতীর উপাচার্য একটি ঘরোয়া বৈঠক এর মধ্যে অধ্যাপকদের নিয়ে এই বিষয়ে আলোচনা করেন। আলোচনার মধ্যে উঠে আসে কোথাও কোন উল্লেখ নেই যে উৎসবটিকে বিশ্বভারতীকেই করতে হবে। এখানে শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের উল্লেখ পাওয়া যায়। অথচ পৌষ মেলার পরে দূষণ নিয়ে একের পর এক মামলার বোঝা চাপানো হয় বিশ্বভারতীর উপর। ফলে বিশ্বভারতীকে এই কারণে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যায় করতে হয়। অথচ পৌষ মেলা থেকে যে আয় হয় তা কিছুই বিশ্বভারতীর তহবিলে জমা পরে না।

মঙ্গলবার রাতে এই সমস্ত কারণে বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী অধ্যাপক, কর্মী, আধিকারিক ও শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট এর সদস্যদের নিয়ে এক বৈঠক করেন এবং তাতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় আগামী বছর ৭ থেকে ৯ই পৌষ শান্তিনিকেতনপৌষ উৎসবএ ঐতিহ্যপূর্ণ উপাসনা গৃহে পরলোকগত আশ্রমিকদের স্মরণ, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন, সমাবর্তন, খ্রিষ্ট উৎসব ইত্যাদি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হবে। কিন্তু বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ পৌষ মেলার পরিচালনার দায়িত্ব আর নেবেন না। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ বলেছেন, পরিবেশ আদালত সহ দেশের সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের পালনীয় শর্তাবলী পূরণ করে এই বিপুল আয়তনের মেলা পরিচালনা করার মত উপযুক্ত পরিকাঠামোর এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেই। সেই কারণেই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়ে দেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য।

अब आप न्यूज़ सेंट्रल 24x7 को हिंदी में पढ़ सकते हैं।यहाँ क्लिक करें
+